উইকিপিডিয়া, -মফিজউদ্দীন আহমদ
মফিজউদ্দীন আহমদসংক্ষিপ্ত ইউআরএল
মফিজউদ্দীন আহমদ | |
|---|---|
![]() | |
| পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী | |
| কাজের মেয়াদ ১৯৬২ – ১৯৬৫ | |
| পূর্বসূরী | এস এম আমজাদ হোসেন |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ১৮৯১ বড়শালঘর, দেবীদ্বার, কুমিল্লা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত। (বর্তমান বাংলাদেশ) |
| মৃত্যু | ১৯৭৯ |
| রাজনৈতিক দল | মুসলিম লীগ |
| সন্তান | এ বি এম গোলাম মোস্তফা |
মফিজউদ্দীন আহমদ (১৮৯১-১৯৭৯) বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী যিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[১][২]
জন্ম ও প্রাথমিক জীবন
মফিজউদ্দীন আহমদ ১৮৯১ সালে কুমিল্লার দেবীদ্বারের বড়শালঘর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১৯১৯ সালে ইংরেজিতে অর্নাসসহ বিএ পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএল পাস করেন। তার ছেলে এ বি এম গোলাম মোস্তফা বাংলাদেশের সাবেক সচিব, মন্ত্রী ও কুমিল্লা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।[১][৩]
রাজনৈতিক ও কর্মজীবন
মফিজউদ্দীন আহমদ কর্মজীবনের শুরুতে কুমিল্লা জেলা বারে ওকালতি ও রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৩৩ সালে মুসলিম লীগে যোগদান করে তৎকালীন ত্রিপুরা জেলা মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৩৮ সালে বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য ও ১৯৪০ সালে শিক্ষা বিষয়ক পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি মনোনীত হন। ১৯৪৬ সালে আবারও তিনি বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব পাকিস্তানের ত্রাণ, পুনর্বাসন, রেজিস্ট্রেশন ও কারাগার বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন। তিনি ১৯৫৪ সালে পাকিস্তান পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ও ১৯৬২ থেকে ১৯৬৫ মেয়াদে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[১]
স্বীকৃতি ও সম্মাননা
মফিজউদ্দীন আহমদ তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক ''আমলে খান সাহেব'' ও ''খান বাহাদুর'' এবং পাকিস্তান সরকার কর্তৃক ''সিতারা-ই-কায়েদে আজম'' খেতাব অর্জন করেন।[১]
মৃত্যু
মফিজউদ্দীন আহমদ ১৯৭৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন।[১]
তথ্যসূত্র
- "আহমদ, মফিজউদ্দীন"। বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০।
- Assembly (1947-1954), Pakistan Constituent (১৯৪৮)। Debates. Official Report (ইংরেজি ভাষায়)।
- "খান সাহেব ছিলেন প্রকৃত দেশপ্রেমিক নাগরিক, যা বর্তমানে বড় অভাব: এবিএম গোলাম মোস্তফা"। দৈনিক আমাদের সময়। ১৭ মে ২০১৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০।


No comments